মুসলমানের পবিত্র ধর্ম ইসলাম কি শান্তির ধর্ম?
এমন প্রশ্নের জবাবে যে কোনো মুমিন মুসলমান অন্তর থেকে চিৎকার করে বলে উঠবেন, নবী পাক (সা.) দুনিয়ার বুকে আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ রাসুল, যিনি এসেছেন শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য। এবং ইসলাম হলো আল্লাহ তায়ালার মনোনীত সর্বশেষ দ্বীন। কিন্তু কিছু জিজ্ঞাসা তো থেকেই যায়।
নবী মুহাম্মদ, সাহাবি এবং খলিফাদের পরবর্তী শাসনামল—এসবের স্পষ্ট বার্তা দেয়। একজন প্রাগৈতিহাসিক আইয়ামে জাহেলিয়াতের (অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের) এপস্টিন ছিলেন নবী মুহাম্মদ। যুগে যুগে ইসলাম বিজয়ের নামে ক্ষমতা ও নারী—এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে আবর্তিত হয়েছে ইসলাম। ১১ স্ত্রী, ২ জন যৌনদাসী এবং যুদ্ধে বিজয়ের পর নবী মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীদের সম্পদ ভাগাভাগি, এবং যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের নিজেদের যৌন লালসা পূরণে জোরপূর্বক গণিমতের মাল হিসেবে ধর্ষণ ও যৌন সঙ্গমে বাধ্য করা হতো। পরে তাঁদের দাসী হিসেবে বিক্রি করা হতো।
বর্তমান সময়েও মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ এবং চরমপন্থার উত্থান ঘটেছে। ধর্মীয় রাজনীতির আলখেল্লায় শরিয়াহ আইনের বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১৪০০ বছর পেছনে ফিরে যেতে উন্মাদ একটি পক্ষ। এরা ধর্মীয় মৌলবাদী। যেখানে ধর্ম, মৌলবাদ ও জিহাদই শেষ কথা।
ইসলাম একটি বর্বর মতাদর্শভিত্তিক ধর্ম। যেখানে ভিন্নমতের, ভিন্ন ধর্মের এবং ভিন্ন যৌনতার মানুষদের হত্যাযজ্ঞকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
৫ আগস্টের অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এ সময়ে বিস্ময়ের সঙ্গে একটি নতুন অধ্যায় পর্যবেক্ষণ করা যাচ্ছে। যেখানে মৌলবাদী গোষ্ঠী জাতীয় সংসদের মতো স্থানকে কলুষিত করছে। জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসের মতো চরমপন্থী এবং ১৯৭১ সালে নারী ধর্ষণকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক নেতৃত্বে বিরোধী দলের ভূমিকায় রয়েছে। আর দাড়ি, টুপি ও সাদা জোব্বা পরা জঙ্গিরা ঢাকার সেই হলি আর্টিজানের নৃশংস ঘটনার পর নতুন করে প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেখানে ভিন্ন মত, ধর্ম ও যৌনতার মানুষদের নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি তালেবানি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এভাবে ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করে কি কথিত কাল্পনিক রূপকথার বেহেশতে যাওয়া যায়?
