প্রতীকী ছবি
অবশ্যই। শুধু বানান ও যতিচিহ্ন সংশোধন করে দিলাম; বক্তব্যের বিষয়বস্তু অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
পৃথিবীতে অসংখ্য ধর্ম পাখা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে মুক্ত বিহঙ্গের মতো।
কিন্তু কোন ধর্ম সত্য?
ইসলামে আল্লাহকে দিয়ে কোরআনকে সত্য প্রমাণ করা হয়, কোরআন দিয়ে কথিত নবী মুহাম্মদ, আর মুহাম্মদ দিয়ে আল্লাহকে। এই হলো যুক্তির সারমর্ম।
কিন্তু কোরআন যে সত্য, এটি কোথায় লেখা আছে জানেন? কোরআনেই। এই হচ্ছে প্রাগৈতিহাসিক কথিত নবী মুহাম্মদ প্রবর্তিত ইসলাম ধর্ম।
নাস্তিকতা কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নয়। ধর্মই যত অধর্ম। এই পৃথিবীতে যত ধর্ম দেখবেন, সবাই কোনো না কোনোভাবে এ সত্য প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে—বিভিন্ন ব্যাখ্যা, তথ্য, উপাত্ত ও ঐশ্বরিক বাণীর মাধ্যমে—যে উক্ত প্রণীত ধর্মই সত্য।
সকল ধর্মেরই একটি সুনির্দিষ্ট বক্তব্য বেশ স্পষ্ট: আপনি যদি উক্ত ধর্মে ঈমান আনয়ন না করেন, মৃত্যুর পর দোজখে যাবেন। ব্যভিচারী নবী মুহাম্মদ, যিশু খ্রিস্ট, অখণ্ড নুনুর অধিকারী হিন্দু বাবা, মঙ্গা বাবা, সাঁই বাবা—সব গুষ্টিসহ দোজখের উত্তপ্ত আগুনে তাদের অণ্ডকোষ, লিঙ্গ এবং কাফেরদের সবকিছু জ্বইলা-পুড়িয়া বেগুনপোড়া হবে। এবং এই সব বিভিন্ন ধর্মে বিশ্বাসী লোকজন বেগুনপোড়া হবে শুধু ধর্ম পালন করার জন্য নয়; না, না জেনে, না বুঝে ভুল ধর্ম পালন করার জন্য।
কিন্তু কথা হলো, আজকের যে ছেলে বা মেয়ে সুদূর উত্তর মেরুতে জন্মগ্রহণ করেছে, সে কীভাবে বুঝবে, অনুধাবন করবে যে শত সহস্র মাইল দূরে আরব মরুর বুকে চৌদ্দশ বছর আগে এক বেদুইনের প্রচারিত ধর্মটার ঈশ্বরই আসল ঈশ্বর?
উক্ত ব্যক্তি না জেনে, না বুঝেই মরার পর আগুনে পুড়িয়া বেগুনপোড়া হইবে পরম করুণাময়ের করুণ কারসাজিতে।
বলা হয়ে থাকে, কথিত আল্লাহর ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছুই এ পৃথিবীতে ঘটে না। এমনকি গাছের একটি পাতাও নড়ে না। সবই যদি সেই করুণাময়ের ইচ্ছায় ঘটে, আর যদি সেটি না-ই ঘটে, তবে তাঁর সর্বশক্তিমান নামের সার্থকতা কোথায়?
আর যদি আল্লাহর ইচ্ছায়ই সব ঘটে, তাহলে সেখানে জীবের দোষ বা পাপ কী?
