প্রতীকী ছবি।
প্রথম পর্বের পর;
এমনকি স্বয়ং আল্লাহই নাকি শিশু আয়েশার প্রতি যৌন নির্যাতনের এমন নির্দেশনা স্বয়ং তার নবীকে দিয়েছেন। মুসলমানের আসমানী কিতাব খ্যাত কোরানেও নবীর এ ধরণের অবৈধ কার্যকলাপকে বৈধতা দিয়েছে নবী নিজের মনগড়া ভাবে।
আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে কামনা করলে তাতে আপনার কোন দোষ নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল। কোরান, ৩৩: ৫১
উক্ত আয়াতে আল্লাহ বলে দিচ্ছেন- মোহাম্মদ যখন খুশী তার যে কোন স্ত্রী বা দাসীর সাথে যৌন সঙ্গম করতে পারেন আর তার জন্য অন্য স্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করতে হবে না, অথচ তার উম্মতদের জন্য বিধান হলো- তারা চারটি বিয়ে করতে পারে তবে তাদের সাথে সমান ব্যবহার করতে হবে, যদি তা না পারে তাহলে একটি মাত্র বিয়ে করতে হবে। উক্ত আয়াতে শানে নুযুল হলো- মোহাম্মদ তার এক ডজন স্ত্রী ও এক ডজন দাসীর মধ্যে কাউকে কাউকে বেশী পছন্দ করতেন ও তাদের সাথে যৌন সঙ্গম করতে বেশী আগ্রহী ছিলেন। তার মধ্যে আয়শা ও জয়নব অন্যতম, দাসীদের মধ্যে মরিয়ম। এরমধ্যে জয়নব ছিলেন বেশ আকর্ষণীয়। লাস্যময়ী নারী। শরীরে ছিলো যৌন আবেদন। যখন তখন মোহাম্মদ তার ঘরে ঢুকে তার সাথে যৌন সঙ্গম করতেন। আর আয়শার সঙ্গ তার বেশী ভাল লাগত। ফলে অধিক সময় তিনি আয়শার সাথে কাটাতেন ও জয়নবের সাথে অধিক যৌন সঙ্গম করতেন। কিন্তু মোহাম্মদের এমন বিষয়ে অন্যান্য স্ত্রীদের বেশ আপত্তি ছিলো। এমন আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে নবী মোহাম্মদের যৌন কামনার সহযাত্রী হলেন কোরানের আয়াত নাজিলের মাধ্যমে স্বয়ং আল্লাহ।
এমনকি নবী মোহাম্মদের জন্য দাসীদের সাথে যৌন সঙ্গমকে হালাল করে দেন আল্লাহ আয়াত নাজিলের মাধ্যমে। মোহাম্মদের উদ্দেশ্যই ছিলো যৌন বৈচিত্র্যপূর্ণ জীবন উপভোগ করা। এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে যত ধরনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিলো এসবের প্রধান উদ্দেশ্যই ছিলো ক্ষমতা এবং নারী। যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের যৌন দাসী হিসেবে ব্যবহার করতো নবী মোহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীগণ। গণিমলের মাল হিসেবে যুদ্ধে বন্দিনী এসব নারীদের বিক্রি করা হত দাসী হিসেবে।
নবী মোহাম্মদ তাঁর স্বীয় পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবের প্রেমে পড়েন। এবং তাঁকেও বিয়ে করেন। এমনকি জয়নাবের সাথে মোহাম্মদের ছিলো গোপন প্রেমের সম্পর্ক। নবী মোহাম্মদ বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে নিজের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য ওহীর নামে তাঁর ব্যক্তিগত লালসা চরিতার্থ করতো।
এমনই এক যৌনতার জীবন কাটিয়ে গেছেন নবী মোহাম্মদ। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, মুসলমানের মধ্যে মোহাম্মদ নাম রাখার প্রবণতা ও প্রচলন রয়েছে। আরবে দেখা যায়, পিতা-পুত্র দুজনের নামই মোহাম্মদ। স্বভাবতই আরবের মানুষদের মধ্যে নবী মোহাম্মদের চরিত্রের প্রতিফলন রয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বাঙালি মুসলমানও নবী মোহাম্মদের যৌন প্রেমের আকুতিতে নিজের সন্তানদের নাম মোহাম্মদের নামকরণে করে যাচ্ছে। আহা! মনানবীর চরিত্র কি পবিত্র।
নবী মোহাম্মদকে স্বয়ং লিঙ্গ পরিচয়হীন আল্লাহ খুবই পছন্দ করতেন। তাই তাঁর সকল অবয়িধ কামনা বাসনার সঙ্গি হয়েছেন আল্লাহ। এবং তিনিই যাবতীয় খায়েশের সহযোগিতাকারী।
