প্রতীকী ছবি।
সর্বগুণের অধিকারী হিসেবে ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর কাছে পূজনীয় এ ব্যক্তি ছিলেন একজন নারী লিপ্সু। এহেন দ্বীনের নবী তাঁর ২৫ বছর বয়সে সম্পদশালী ৪০ বছর বয়সের বিবি খাদিজাকে বিয়ে করেন নিজের দারিদ্র থেকে মুক্তি পেতে। প্রবল যৌনতার অধিকারী মোহাম্মদের মত পুরুষের জন্য আরবের মধ্যে এটি বেশ বেমানান তখনকার সময়। কিন্তু দরিদ্র মোহাম্মদের জন্য আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে এমন প্রস্তাব ছিলো বেশ লোভনীয়।
বিবি খাদিজা জীবিত থাকা অবস্থায় মক্কাতেই সময় কাটে নবী মোহাম্মদের। খাদিজাও তাঁর ব্যবসার সমস্ত দায়িত্ব তার উপর অর্পণ করেন। কিন্তু মক্কা জীবনে তাঁর জীবনের ক্ষমতা, প্রভাব ও প্রতিপত্তির ভরকেন্দ্রে তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। বিবি খাদিয়া ৬১৯ খ্রিস্টাব্দে ইন্তেকালের পর মদীনায় চলে যায় মোহাম্মদ। বিভিন্ন কারনে মদিনায় তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায়, সেখানেই ইসলাম প্রচার শুরু করে এবং নারী লিপ্সার বিষয়টিও প্রকাশ্যে আসে। একের পর এক বিয়ে করেন।
নবী মুহাম্মদ মক্কা থেকে মদিনায় হিযরতের পর ১৩ বছর বেঁচে ছিলেন। যেখানে ১২টি বিয়ে করেন। সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মানব, যার জীবনাদর্শ নাকি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে, এই মুহাম্মদ পৌঢ় বয়সে (৫১ বছর বয়সে নাবালিকা শিশু আয়েশাকে বিয়ের নামে ধর্ষণ করেন)। এবং একাধিক স্ত্রী ও যৌন দাসীদের সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হতেন।
এ পৃথিবীর কোন সভ্য সমাজে কি খুঁজে পাওয়া সম্ভব, শুধু মাত্র যৌন বিকৃত না হলে; ৬ বছরের একটি নাবালিকা শিশুকে বিয়ে করা?
আর বিয়ে করলেও তাঁর সাথে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হওয়া? অথচ এমন অসদাররণই করেছেন শ্রেষ্ঠ নবী মোহাম্মদ। যার ধর্মের উন্মাদনার বাহিরেও ছিলো যৌন উন্মাদনা।
একটি শিশুকে বিয়ের নামে দিনের পর দিন যৌনপীড়ন করেছেন। এমন ঘটনা বর্তমান সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থায় শিশু সুরক্ষা আইনেরও ব্যত্যয়।
