সকল ধর্মই কি শান্তির বার্তা দেয়। না, দেয় না।
এই যেমন, নবী মোহাম্মদের ধর্ম ইসলাম। ইসলাম জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বার্তা ছড়িয়ে আসছে ১৪০০ বছর ধরে। ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে ভিন্ন মত, ভিন্ন ধর্ম, কখনো ভিন্ন জাতিসত্তার মানুষের প্রতি নির্যাতন এবং আতঙ্কের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ নামক তৃতীয় বিশ্বের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ভিন্ন ধর্ম, বর্ণের মানুষের বসবাস পরম্পরা ধরে। কিন্তু কেন শুধুমাত্র ধর্মের রাজনীতির অন্তরালে ধর্মের উগ্রবাদী গোষ্ঠীরা ভিন্ন ধর্মের মানুষদের প্রতি আগ্রাসী হয়ে উঠছে?
কারন ইসলাম এমন এক ধর্ম যা দ্বীন কায়েমের নামে পাশবিকতা, ভিন্ন ধর্মের মানুষদের হত্যা, ভিন্ন মত দমন এবং যৌক্তিক সমালোচনার জবাবে হত্যাযঞ্জকেই সমাধান হিসেবে দেখা হয়েছে। নবী মোহাম্মদের ধর্ম ইসলামের শুরুটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে জিহাদ, রক্তপাত এবং যুদ্ধে বিজয়ের পর নারীদের প্রতি এক অবমাননাকর যৌন আসক্তির মধ্য দিয়ে।
কিন্তু এই ইসলাম ধর্মে জন্মগতভাবেই মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে দীক্ষিত হলেও ইসলামের প্রাগৈতিহাসিক ইতিহাস একটি বিশাল অংশকে ইসলাম থেকে সরে আসতে তাড়িত করছে। এরা প্রগতিশীল, উদার এবং মুক্তমনা।
ইসলাম একটি জঙ্গিবাদী, নারীবিদ্বেষী, চরমপন্থী ধর্ম। কিন্তু এ ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে যাবে, যদি না শুধুমাত্র যাকাত ফেতত্রা, কোলাকুলি এবং গান বাজনার মধ্যে বাঁচিয়ে রাখতে পারে। সভ্য সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোথাও বর্বরতার জায়গা নেই। ধর্মের কোন আইন মানুষের সুরক্ষা দিতে পারে না।
এই যেমন রাষ্ট্র, সমাজ ও পরিবারে ভিন্ন যৌন পরিচয়ের মানুষদের নবী মোহাম্মদের ধর্ম ইসলাম হত্যাযঞ্জ করে, সেখানে সভ্যতা এলজিবিটিকিউ+ মানুষদের নিজস্ব আত্মপরিচয়ে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা প্রদান করে। নিরাপত্তা প্রদান করে। কিন্তু পবিত্র ধর্মের জাহেলিয়াতের আইন এসব কিছু ভূলুণ্ঠিত করে।
ধর্ম আসলে কি?
আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান এসবের সবকিছুর ধারণাই এক ধরণের কল্পনাপ্রসূত। দোজাহান বলে কিছু নেই। জান্নাত, জাহান্নাম, স্বর্গ, নরক এসবের ধারণা নিতান্তই অলিক। যেখানে নারীদের অমর্যাদা এবং বেহস্তি পুরুষের ৭২ হুরের সাথে যৌন সঙ্গম ধূর্ত নবী মোহাম্মদের নিজস্ব কামনার উদ্রেক ছাড়া কিছুই নয়।
ভবিষ্যত পৃথিবীর মানুষ বিঞ্জানমনষ্ক, যুক্তিবাদী। এখানে জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদ এসবের বিলুপ্তি ঘটবে। জঙ্গিধর্ম ইসলামেরও সংস্কার জরুরী। মানুষের স্বার্থে।
বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় মাদ্রাসাগুলো বিশেষ করে। এগুলোর বিলুপ্তি প্রয়োজন। যেখানে সারাদেশে সাধারন জঙ্গিদকেও ছাপিয়ে গেছে এসব মাদ্রাসার জঙ্গিরা। এখানে জঙ্গিবাদের চাষাবাদ করা হয়। বলাৎকার করা হয়। শরীয়াহ আইনের নামে ধর্মীয় ব্যবস্থা ভিন্ন মতের মানুষদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার হুংকার দেওয়া হয়। সকল বিভেদ বিনাশে ধর্মের বিলুপ্তি প্রয়োজন। প্রয়োজন এসব ধর্মের গোড়াপত্তন আর একপাক্ষিক উগ্রবাদের মস্তিষ্ক মাদ্রাসাগুলোকে পুড়িয়ে ফেলা।
